বগুড়া-নওগাঁ হাইওয়ে সংলগ্ন ৯ তলা কমার্শিয়াল কাম রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিং "সউদ টাওয়ার" পিঁপড়ার এ রকমই একটা প্রজেক্ট। আর এই প্রজেক্ট এর পেছনের গল্পই আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব ।
"সউদ টাওয়ার" বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলায় অবস্থিত। মূলত এই প্রজেক্টটির শুরু থেকেই পিঁপড়া, এর সাথে পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল ঠিকই কিন্তু বিল্ডিংটির মূল জন্মদাতা পিঁপড়া নয়। সর্বপ্রথম নওগাঁর একটি কনসালটেন্সি ফার্ম এই প্রজেক্টের ডিজাইন করে এবং পিঁপড়া শুধুমাত্র ক্লায়েন্টকে বিল্ডিংটির অনুমোদনের জন্য হেল্প করে।
বর্তমান সরকারের গৃহীত সকল প্রকল্পের মধ্যে অন্যতম আলোচিত একটি প্রকল্প, বগুড়া টু নওগাঁ ৪ লেন রাস্তা নির্মাণ প্রকল্প। যদিও এর কারণটিও অত্যন্ত যুক্তিসঙ্গত। এই রাস্তাটি বদলে দিতে পারে কয়েকটি জেলার পরিপূর্ণ চিত্র। আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর সহ ছোট বড় অনেকগুলো মেগা প্রকল্পকে সংযুক্ত করবে এই রাস্তাটি।
আর এই কারণে বগুড়া জেলার একটি কনসালটেন্সি এবং কনস্ট্রাকশন ফার্ম হিসেবে আমাদেরও আগ্রহ থাকে এইসকল মেগা প্রকল্পগুলোর পার্শবর্তী জায়গাগুলতে নিজেদের কিছু চিহ্ন রেখে দিতে।
বগুড়া-নওগাঁ হাইওয়ে সংলগ্ন ৯ তলা কমার্শিয়াল কাম রেসিডেন্সিয়াল বিল্ডিং "সউদ টাওয়ার" পিঁপড়ার এ রকমই একটা প্রজেক্ট। আর এই প্রজেক্ট এর পেছনের গল্পই আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব ।
"সউদ টাওয়ার" বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলায় অবস্থিত। মূলত এই প্রজেক্টটির শুরু থেকেই পিঁপড়া, এর সাথে পরোক্ষভাবে জড়িত ছিল ঠিকই কিন্তু বিল্ডিংটির মূল জন্মদাতা পিঁপড়া নয়। সর্বপ্রথম নওগাঁর একটি কনসালটেন্সি ফার্ম এই প্রজেক্টের ডিজাইন করে এবং পিঁপড়া শুধুমাত্র ক্লায়েন্টকে বিল্ডিংটির অনুমোদনের জন্য হেল্প করে।
এই বিল্ডিং এর মালিক, জামাল ভাই অত্যন্ত ভালো একজন মানুষ। উনি একজন প্রবাসী বাঙালী, এবং তিনি বছরের অধিকাংশ সময়ই থাকেন সৌদি আরবে। আমার জীবনে আমি তার মত কথার মূল্য রক্ষা করা মানুষ খুব কম দেখেছি। আমার নিজের চোখে দেখা তার একটি ঘটনায়, শুধুমাত্র নিজের কথার মূল্য রক্ষার জন্য তিনি কয়েক লক্ষ টাকা এবং সেই সাথে তার বিল্ডিং এর ক্ষতি স্বীকার করে নেয় বিনা বাক্যে। এরপর থেকে আমাদের চোখে ভাই এর সম্মান আরো অনেক বেড়ে যায়।
মূলত এই বিল্ডিং এর ৫ তলা পর্যন্ত কাজ চলাকালীন সময়ে আমরা তেমন একটা জড়িত ছিলাম না এর সাথে। মাঝে শুধু ২-১ বার গিয়েছিলাম সুপারভিশনের জন্য। কিন্তু পাঁচ তলা সম্পন্ন হওয়ার পর জামাল ভাই আমাদের কনস্ট্রাকশন টিমকে সম্পূর্ণ বিল্ডিং এর ফিনিশিং কাজের দায়িত্ব দিতে চান। আমরাও রাজি হয়ে যাই। ভালো মানুষের কাজ কে না করতে চায়!
এরপর যখন আমরা কাজ শুরু করতে যাই তখন ওয়ার্কিং ড্রইং দেখে অনেক ধরনের অসামঞ্জস্যতা আমাদের চোখে পড়ে। জামাল ভাই তার বিল্ডিং-এ ৫ তলা পর্যন্ত হসপিটাল এবং পরবর্তী ৪ তলায় আবাসিক ফ্ল্যাট বানাতে চেয়েছিল কিন্তু প্ল্যান এবং থ্রিডি কোনটিই তার পরিকল্পনার সাথে উপযোগী ছিল না। যার কারণে প্রথমেই আমরা পূর্ববর্তী কলাম লে-আউট অনুযায়ী নতুন ফ্লোর প্ল্যান ও থ্রিডি তৈরি করে নেই, যা এক দেখাতেই তিনি পছন্দ করে ফেলেন। এরপর নতুন ডিজাইন অনুযায়ী শুরু হয় আমাদের ফিনিশিং এর কাজ। এখন ৬ষ্ঠ তলার গাঁথুনি-প্লাস্টারের কাজ চলমান আছে।
অত্যন্ত সম্ভাবনাময় একটি লোকেশনে তৈরি হচ্ছে জামাল ভাই এর বিল্ডিং। খুব শীঘ্রই চালু হতে যাচ্ছে ভাই এর বিল্ডিং এর হসপিটালটিও। আশা করা যায় চিকিৎসা ক্ষেত্রে আদমদিঘীবাসী ভালো একটা সুবিধা পেতে যাচ্ছে এখান থেকে।
পিঁপড়ার সাথে জামাল ভাই এর আরও একটি প্রজেক্ট আছে ফুলদিঘীতে যেখানে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত সকল সাপোর্টে পাশে আছে পিঁপড়া। সেই প্রজেক্ট এর ডিটেইলস খুব শীঘ্রই আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ইনশাআল্লাহ্।
ভালো থাকবেন, সাথে থাকবেন। ❤️