Fire Approval কখন লাগে?? 🤔

আপনার যদি Fire Approval এর কথা চিন্তা না করেই কারো কাছে বিল্ডিং এর ডিজাইন করে নেন তবে মস্ত বড় ভুল করবেন। ভুল নকশার কারণে অথবা আপনার জমির লোকেশন এর কারনে পরে ফায়ার সার্ভিস প্ল্যান রিজেক্ট করলে পুরো প্রজেক্টের কাজই বন্ধ হয়ে যাবে এবং আপনি অনেক বড় লসে পড়ে যাবেন। এমনকি আপনার পুরো ড্রইং আবার নতুন করে করা লাগতে পারে। তাই ড্রয়িং শুরুর আগেই সব নিয়ম জেনে নেওয়া ভালো।

Fire Approval কখন লাগে?? 🤔

বহুতল ভবন তৈরি করতে চাচ্ছেন? আগে জেনে নিন Fire Approval পাবেন কিনা??

আমাদের কাছে এমন অনেক ক্লাইন্ট আসে যাদের প্রজেক্টের জায়গার পরিমাণ অনেক বেশি । তারা এসেই সরাসরি বলে আমাকে এই জায়গার উপরে একটা ১২-১৩ বিল্ডিং এর ডিজাইন করে দেন। কিন্তু আমরা যখন সাইড ভিজিট করে তাদেরকে বলি এখানে তো ৬ তলার উপরে বিল্ডিং বানানো যাবে না, শুনে তারা তো অবাক, কি বলেন এত বড় একটা জায়গা অথচ এখানে ০৬ তলার উপরে বিল্ডিং করা যাবে না??

তখন আমরা তাদেরকে বুঝিয়ে বলি একটা হায়রাইজ বিল্ডিং বানাতে হলে ম্যান্ডেটারি কিছু নিয়ম মেনে এবং অনুমোদন নিয়ে বিল্ডিং বানাতে হয়। যাদের মধ্যে অন্যতম একটা হলো Fire Approval.

আপনার যদি Fire Approval এর কথা চিন্তা না করেই কারো কাছে বিল্ডিং এর ডিজাইন করে নেন তবে মস্ত বড় ভুল করবেন। ভুল নকশার কারণে অথবা আপনার জমির লোকেশন এর কারনে পরে ফায়ার সার্ভিস প্ল্যান রিজেক্ট করলে পুরো প্রজেক্টের কাজই বন্ধ হয়ে যাবে এবং আপনি অনেক বড় লসে পড়ে যাবেন। এমনকি আপনার পুরো ড্রইং আবার নতুন করে করা লাগতে পারে। তাই ড্রয়িং শুরুর আগেই সব নিয়ম জেনে নেওয়া ভালো।

​বর্তমানে বাংলাদেশের ৭ তলা বা তার উপরে বিল্ডিং এর প্ল্যান পাস করাতে গেলে ফায়ার সার্ভিসের ক্লিয়ারেন্স বা ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক।

আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে এর Fire Approval এর জন্য যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখতে হবে :

​📐 Fire Approval কখন এবং কাদের লাগবে?

​বহুতল আবাসিক ভবন: সাধারণত বাংলাদেশ বিল্ডিং কোড (BNBC) অনুযায়ী, ভবন যদি ৭ তলা বা তার বেশি (কিংবা ২০ মিটারের চেয়ে উঁচু) হয়, তবে ফায়ার এপ্রোভাল মাস্ট।

​বাণিজ্যিক ও অন্যান্য ভবন: যেকোনো কমার্শিয়াল বিল্ডিং, ফ্যাক্টরি, শোরুম, রেস্টুরেন্ট, হাসপাতাল বা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান— তলা যত কমই হোক না কেন, বাণিজ্যিক ব্যবহারের জন্য ফায়ার ছাড়পত্র বা লাইসেন্স নিতেই হবে।

​🛣️ প্রজেক্ট এর সামনের রাস্তা কত ফিট চওড়া হতে হবে:

​ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি যেন আগুন লাগলে অনায়াসে এসে কাজ করতে পারে, সেজন্য রাস্তার প্রশস্ততা সবচেয়ে বেশি দেখা হয়:

​বহুতল বা কমার্শিয়াল ভবনের ক্ষেত্রে (৭ তলার ওপরে): ফায়ার ফাইটিংয়ের বড় গাড়ি বা মই প্রবেশের জন্য রাস্তার সাইজ ন্যূনতম ১৬ থেকে ২০ ফিট চওড়া হওয়া বাধ্যতামূলক।

​🛠️ প্ল্যানিংয়ের সময় কোন বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হয়?

১. ফায়ার এক্সিট : ভবনে পর্যাপ্ত চওড়া ফায়ার স্টেয়ারকেস বা জরুরি এক্সিট সিঁড়ি আছে কিনা।

২. ওয়াটার সোর্স : আগুন লাগলে ফায়ার ফাইটিংয়ের জন্য বিল্ডিংয়ে আলাদা ডেডিকেটেড পানির আন্ডারগ্রাউন্ড ও রুফটপ ট্যাংক রাখা হয়েছে কি না।

৩. সেফটি ইকুইপমেন্ট: ফায়ার এক্সটিঙ্গুইশার, স্মোক ডিটেক্টর এবং ফায়ার হোস রিলের প্রপার লে-আউট প্ল্যানে আছে কি না।

​আপনার বিল্ডিংটি যেন সকল নিয়ম মেনে এবং সর্বোচ্চ সেফটি সিকিউরিটি বজায় রেখে গড়ে তুলতে পারেন সেই সকল ব্যাপারে পরামর্শের জন্য পিপড়া টিম আপনাদের পাশেই আছে।

আপনার ভবনের ফায়ার সেফটি বা প্ল্যানিং নিয়ে কোনো জিজ্ঞাসা থাকলে নির্দ্বিধায় আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। 🤝❤️

ছবিতে আমাদের মেহেরা আশীর্বাদ প্রজেক্ট।

নূর মসজিদ লেন, জলেশ্বরীতলা।

Back to Blogs